সরকারের সর্বজনীন পেনশন স্কিম, স্কিমের প্রকার, মাসিক চাঁদা, মাসিক পেনশন কত ও অন্যান্য

সর্বজনীন পেনশন স্কিম হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক চালুকৃত প্রথম পেনশন স্কিম। পূর্বেও দেশে পেনশন স্কিম চালু ছিলো কিন্তু তা শুধু সরকারি চাকুরীজীবীরাই পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারতো। তবে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার ফলে বাংলাদেশের সকল নাগরিক এই স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।

এই পোস্টে আমরা Universal Pension Scheme বা সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এই অনুচ্ছেদটি পড়ে আপনি সর্বজনীন পেনশন স্কিম কি? কারা এই স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন? এই স্কিম কীভাবে খুলবেন? এই পেনশনের সুবিধা কি কি? আরোও অনেক অনেক প্রশ্নের উত্তর এই লেখাটি পড়লে পেয়ে যাবেন।

পেনশন আসলে কি?

পেনশন Pension হচ্ছে একজন চাকুরীজীবীর জন্য একটি অবসরভাতা। একজন চাকুরীজীবী কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সময় সেই প্রতিষ্ঠানে বেতনভাতা থেকে কিছু অংশ কেটে রাখে। সেই কর্তিত অংশ সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করে এবং পরবর্তীতে লভ্যাংশের কিছু অংশ চাকুরীজীবীদের অবসরভাতা বা পেনশন (Pension) হিসেবে প্রদান করে থাকে।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম কি? What is Universal Pension Scheme?

সর্বজনীন পেনশন স্কিম হচ্ছে পেনশনের মতোই একটি স্কিম যা বাংলাদেশের সরকারি চাকুরীজীবী ব্যতিত সকল নাগরিক প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয়ের ফলে দীর্ঘ দিনের জমানো টাকার মুনাফা ভোগ করতে পারবে। 

সর্বজনীন পেনশন স্কিম হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আয়োজিত একটি নতুন স্কিম, যে স্কিমে সরকারি চাকুরীজীবী ব্যতীত দেশের সকল নাগরিক পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আপনার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়ে থাকে, তাহলে আপনি এই পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন।

এই স্কিমের সুবিধা পেতে হলে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রতি মাসে পেনশন স্কিম এ জমা দিতে হবে। তারপর নির্দিষ্ট মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আপনি প্রতি মাসে আপনার মাসিক জমানো টাকার পরিমাণের উপর এবং কত বছরের জন্য পেনশন স্কিম চালু করেছেন সে অনুযায়ী অবসর ভাতা নির্ধারণ করা হবে। এবং মেয়াদ শেষে মাসিক ভাতা ভোগ করতে পারবেন।

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে কারা যুক্ত হতে পারবেন?  

সর্বজনীন পেনশন স্কিম হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তার জন্য চালুকরা একটি পেনশন স্কিম ব্যবস্থা। এই স্কিম চালু হওয়ার সাথে সাথে এর জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

পৃথিবীর বেশিরভাগ প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরীরত কর্মজীবী রয়েছে কিন্তু তাদের বেশিরভাগ দেশে সাধারণত এককালিন বেতনভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে বৃদ্ধাবস্থায় এই অবসরভাতা না থাকলে অনেক চাকুরীজীবী অনেক কষ্টে জীবনযাপন করে থাকে।

তবে বাংলাদেশ সরকার এই প্রথম দেশের সর্বস্তরের নাগরিকের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছে।  বৃদ্ধাবস্থায় সামাজিক নিরাপত্তার কথা ভেবে এই স্কিম চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির ফলে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেজন্য বাংলাদেশের সরকার বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ দেশের সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে, সরকারি চাকরিজীবী ব্যতিত দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারবে। এই পেনশন স্কিমের আওতাভুক্ত হচ্ছে চাইলে আপনাকে বাংলাদেশের একজন নাগরিক হতে হবে। বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যবর্তী বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক চাইলে এই স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন।

তবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য কিছু বিষয় নিওম করা হয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা চাইলে পাসপোর্ট দিয়েও এই পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারবে।  কিন্তু পরবর্তীতে খুব দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম এর সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে।

বয়সের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কিছুটা নমনীয়তা আচরণ করে থাকে। যাদের বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে তারাও চাইলে এই পেনশন স্কিমের আওতাভুক্ত হতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে তাকে স্কিমে ১০ বছর চাঁদা প্রদান করতে হবে।

অর্থাৎ, যাদের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে তারা যদি সর্বজনীন পেনশন স্কিম এ যুক্ত হতে চায়, তাহলে তাকে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার পর ৬০ বছরের মাথায় প্রতিমাসে পেনশন ভাতা ভোগ করতে পারবেন।

কেন সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা উচিত?

সর্বজনীন পেনশন সুবিধা চালু করা উচিত কি উচিত না এই বিষয়ে বিভিন্ন প্রকারের অভিমত থাকতে পারে অনেকে মনে করেন এতো গুলো বছরের জন্য টাকা জমা রাখবো পড়ে সেই টাকা পাবো কি পাবো না – এই বিষয়ে অনেকের অনেক মত থাকতে পারে। এই স্কিম চালু করবেন কি করবেন না এই বিষয়ে যারা মত স্থির করতে পারছেন না। তাদের জন্য আমরা কিছু মত প্রকাশ করছি।

বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার যা অবস্থা তা দেখে মাঝে মাঝে মনে হয় শিক্ষিত সমাজ আজ একক পরিবার হিসেবে থাকতে বেশি পছন্দ করে।  আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এমনও অনেক ঘটনা রয়েছে, যেখানে একজন বেসরকারী চাকুরীজীবী তার পরিবারের জন্য সবটুকু দিয়ে দেয়।  কিন্তু দিন শেষে আবার তাকেই তার ছেলে মেয়ে থেকে অবজ্ঞার স্বীকার হতে হয়।

যদি বৃদ্ধ অবস্থায় ঐ ব্যক্তির কাছে টাকা থাকতো তাহলে সেই ছেলে মেয়েই তার সেবা যত্ন করতো।  এই দুনিয়ায় আজকাল টাকার গুরুত্ব অনেক।  বৃদ্ধাবস্থায় যখন আপনার পাশে কেউ থাকবেনা, তখন আপনার জমানো টাকা আপনার শেষ অবলম্বন হয়ে দাঁড়াবে। তাই সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ও বৃদ্ধ বয়েসে অর্থনিতিক সুরক্ষার জন্য আপনার সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা উচিত। 

তাছাড়া বৃদ্ধকালে যখন আপনার নাতি-নাতনি আপনার কাছে বিভিন্ন বায়না নিয়ে আসবে, তখন আপনি তাদের বায়নাগুলো মিটাতে পারবেন না যদি না আপনার কাছে টাকা তাকে।  এছাড়াও আমরা জানি, যতই আমাদের বয়স বাড়বে, ততই আমাদের শরীরের অবস্থা খারাপ হওয়া শুরু করবে।  এমতাবস্থায় আপনার সর্বজনীন পেনশন স্কিম খোলা থাকলে, আপনি প্রতি মাসে যা পাবেন তা দিয়েই আপনি আপনার পরিচর্যা করতে পারবেন।

তাই একথা বলা যেতে পারে যে, আপনি যদি বৃদ্ধকালে আপনার সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চান, তাহলে আপনার এই স্কিম সুবিধাটি গ্রহন করা উচিত।

পেনশন স্কিম কি সুদ ধর্ম কি বলে?

আমাদের সমাজে আমরা বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করে থাকি।  কেউ হিন্দু, কেউ খ্রিষ্টান, কেউ মুসলিম, আবার কেউ বৌদ্ধ। ইসলাম ধর্ম মতে সুদ খাওয়া হারাম। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী সুদ খাওয়া ভালো না। তাই ধার্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা উচিত নয়।

কেননা, আপনি যে টাকা জমা রাখবেন, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সেই টাকা সরকার কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে লাগাবে। পরবর্তীতে সেই উন্নয়নমূলক কাজের লভ্যাংশ থেকে আপনাকে কিছু পরিমাণ অংশ দেওয়া হবে।  তাই বলাই যায়, এটাও এক রকম সুদের ব্যবসা যা বিভিন্ন ধর্ম সমর্তন করে না।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার যোগ্যতা ও আবেদন

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কিছু যোগ্যতা লাগে যা একজন সর্বজনীন পেনশন গ্রাহকের থাকা উচিত-

১। পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণের বয়স

বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রকে মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে ১৮ বছর থেকে শুরু করে ৫০ বছর পর্যন্ত সকল বয়সের মানুষ সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

তবে ৫০ বছরে উর্দ্ধে যাদের বয়স তারাও এই পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে সেই ব্যক্তিকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ১০ বছর চাঁদা প্রদান করতে হবে।  অর্থাৎ, একজন ব্যক্তির বয়স যদি ৫০ বছরের উপরে হয়ে থাকে, তাহলে চাঁদা প্রদানে নিরবচ্ছিন্ন ১০ বছর যোগ করলে আপনার স্কিমের মেয়াদ শেষ হবে।

২। জাতীয় পরিচয়পত্র

জাতীয় পরিচয়পত্র মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে সর্বজনীন পেনশন স্কিম এ যেকেউ অংশগ্রহন করতে পারবে। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা চাইলে তাদের পাসপোর্ট দিয়ে এই স্কিমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

তবে এই শর্তে একজন প্রবাসী বাংলাদেশী সর্বজনীন পেনশনে অংশগ্রহণ করতে পারবে যে খুব দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়ে একাউন্ট ভেরিফাই করে নিবেন। যেহেতু একজন প্রবাসী তার পাসপোর্টকে বারবার নবায়ন বা পুনঃইস্যু করতে হতে পারে তাই অবশ্যই সেই পাসপোর্টের নতুন কপি জমা প্রদান করতে হবে।

৩। অন্যান্য স্কিমে যুক্ত থাকার ব্যক্তিদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তিগণ তাদের প্রয়োজন অনুসারে স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন। তবে স্কিমে যুক্ত হওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অন্তরভূক্ত সকল সুবিধা ত্যাগ করতে হবে।

৪। পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে আবেদন

বর্তমানে কোনো ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে কোনো স্কিমে যুক্ত হতে চাইলে খুব সহজেই যুক্ত হতে পারবেন। নিবন্ধনের সময় তিনি দেশে অথবা বিদেশে যেকোনো জায়গা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার সময় অবশ্যই একটি ফরম পূরণ করতে হবে যার বিপরীতে আবেদনের পরে একেজনের জন্য একেকটি ইউনিক আইডি প্রদান করা হবে। এই ইউনিক আইডি প্রদান করা হয় মূলত তাকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করার জন্য।

৫। মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ

একজন আবেদনকারী তার আবেদন ফরম পূরণের সময় অবশ্যই মোবাইল নম্বর ও ইমেইল এড্রেস সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। স্কিমে অংশগ্রহনকারী ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন তথ্য প্রদানের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল নম্বর ও ইমেইল এড্রেস।

এই মোবাইল নম্বর ও ইমেইল এড্রেসের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন স্কিম গ্রহীতার সাথে যোগাযোগ করা হবে। তাই অবশ্যই এসব জিনিস ভুল হওয়া চলবে না। এগুলো মাধ্যমে ইউনিক আইডি নম্বর ও মাসিক চাঁদা প্রদানের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

দেশে অবস্থানরত গ্রাহকদের মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ইউনিক আইডি নম্বর ও মাসিক চাঁদা প্রদানের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু বিদেশে অবস্থানরত গ্রাহকদের ইমেইলের মাধ্যমে সকল তথ্য যেমন ইউনিক আইডি নম্বর ও মাসিক চাঁদা প্রদানের তারিখ নিয়মিত জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ সঞ্চয়পত্র কী? সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ও সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের যোগ্যতা জানুন

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে প্যাকেজ কয়টি এবং কি কি?

বাংলাদেশ সরকার দেশের বয়স্ক নাগরিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিম হচ্ছে প্রথম। বর্তমানে সর্বমোট ৬টি স্কিম চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রথম দিকে মোট চারটি স্কিম চালু করে সর্বজনীন স্কিমের সূচনা করেছে সরকার। নিচে এই ৪টি স্কিমের নাম, মাসিক চাঁদা প্রদানের হার, মাসিক পেনশন এবং মেয়াদ ইত্যাদি বিস্তারিত দেওয়া হল-

১। প্রবাস স্কিম

প্রবাস স্কিম

প্রবাস স্কিম হচ্ছে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের একটি প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই স্কিমটি জনপ্রিয়তা অর্জন করার মূল কারণ হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশী ইচ্ছে করলেই যে দেশে রয়েছেন, সরাসরি সেই দেশের মুদ্রায় পেনশনের চাঁদা প্রদান করতে পারবেন।

প্রবাসী ভাইদের জন্য প্রবাস স্কিমের মাসিক চাঁদার পরিমাণ যথাক্রমে ৫০০০ টাকা, ৭৫০০ টাকা এবং ১০,০০০ টাকা।

একজন প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক যদি প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা চাঁদা দিয়ে থাকে, তাহলে ৪২ বছর পর প্রতি মাসে পেনশন ভাতা পাবে ১,৭২,৩২৭ টাকা, ৪০ বছর পর মাসিক পেনশন ১,৪৬,০০১ টাকা, ৩৫ বছর পর মাসিক পেনশন ৯৫,৯৩৫ টাকা, ৩০ বছর পর মাসিক পেনশন ৬২,৩৩০ টাকা, ২৫ বছর পর ৩৯,৭৭৪ টাকা, ২০ বছর পর ২৪,৬৩৪ টাকা ১৫ বছর পর ১৪,৪৭২ টাকা এবং ১০ বছরের জন্য প্রবাস স্কিম চালু করলে ৭,৬৫১ টাকা করে মাসিক পেনশন প্রদান করা হবে।

প্রবাস স্কিম (২,০০০)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর২,০০০ টাকা৬৮,৯৩১ টাকা
৪০ বছর২,০০০ টাকা৫৮,৪০০ টাকা
৩৫ বছর২,০০০ টাকা৩৮,৩৭৪ টাকা
৩০ বছর২,০০০ টাকা২৪,৯৩২ টাকা
২৫ বছর২,০০০ টাকা১৫,৯১০ টাকা
২০ বছর২,০০০ টাকা৯,৮৫৪ টাকা
১৫ বছর২,০০০ টাকা৫,৭৮৯ টাকা
১০ বছর২,০০০ টাকা৩,০৬০ টাকা
প্রবাস স্কিম (৫,০০০)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৫,০০০ টাকা১,৭২,৩২৭ টাকা
৪০ বছর৫,০০০ টাকা১,৪৬,০০১ টাকা
৩৫ বছর৫,০০০ টাকা৯৫,৯৩৫ টাকা
৩০ বছর৫,০০০ টাকা৬২,৩৩০ টাকা
২৫ বছর৫,০০০ টাকা৩৯,৭৭৪ টাকা
২০ বছর৫,০০০ টাকা২৪,৬৩৪ টাকা
১৫ বছর৫,০০০ টাকা১৪,৪৭২ টাকা
১০ বছর৫,০০০ টাকা৭,৬৫১ টাকা
প্রবাস স্কিম (৭,৫০০)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৭,৫০০ টাকা২,৫৮,৪৯১ টাকা
৪০ বছর৭,৫০০ টাকা২,১৯,০০১ টাকা
৩৫ বছর৭,৫০০ টাকা১,৪৩,৯০২ টাকা
৩০ বছর৭,৫০০ টাকা৯৩,৪৯৫ টাকা
২৫ বছর৭,৫০০ টাকা৫৯,৬৬১ টাকা
২০ বছর৭,৫০০ টাকা৩৬,৯৫১ টাকা
১৫ বছর৭,৫০০ টাকা২১,৭০৮ টাকা
১০ বছর৭,৫০০ টাকা১১,৪৭৭ টাকা
প্রবাস স্কিম (১০,০০০)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর১০,০০০ টাকা৩,৪৪,৬৫৫ টাকা
৪০ বছর১০,০০০ টাকা২,৯২,০০২ টাকা
৩৫ বছর১০,০০০ টাকা১,৯১,৮৭০ টাকা
৩০ বছর১০,০০০ টাকা১,২৪,৬৬০ টাকা
২৫ বছর১০,০০০ টাকা৭৯,৫৪৮ টাকা
২০ বছর১০,০০০ টাকা৪৯,২৬৮ টাকা
১৫ বছর১০,০০০ টাকা২৮,৯৪৪ টাকা
১০ বছর১০,০০০ টাকা১৫,৩০২ টাকা

২। প্রগতি স্কিম

সর্বজনীন পেনশন স্কিম

প্রগতি স্কিম হচ্ছে বাংলাদেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যেকোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকারের প্রাইভেট কোম্পানি রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ চাকরী করে। তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সর্বজনীন পেনশন স্কিম এর আওতায় রয়েছে প্রগতি স্কিমটি।

কেউ চাইলে প্রগতি স্কিমের আওতায় ৪ প্রকারে চাঁদা প্রদান করতে পারবে। কেউ চাইলে মাসে ২ হাজার, ৩ হাজার বা ৫ হাজার টাকা করে দিয়ে এই স্কিমে যুক্ত হতে পারবে।

তাছাড়া একজন কোম্পানির মালিকও প্রগতি স্কিমে যুক্ত হতে পারবেন। সেক্ষেত্রে মোট চাঁদার অর্ধেক একজন কর্মচারী এবং বাকি অংশ সেই প্রতিষ্ঠানের মালিক বহন করবেন।

একজন প্রগতি স্কিমের গ্রাহক যদি প্রতি মাসে ২০০০ টাকা ৪২ বছর পর্যন্ত জমা করে, তাহলে মাসিক পেনশন ৬৮,৯৩১ টাকা হবে। আবার যদি ৩০০০ টাকা ৪২ বছর পর্যন্ত জমা করে, সেক্ষেত্রে মাসিক পেনশন হবে ১,০৩,৩৯৬ টাকা এবং যদি ৫০০০ টাকা করে জমা করে সেক্ষেত্রে মাসিক পেনশন ভাতা ১,৭২,৩২৭ টাকা হবে।

প্রগতি স্কিমের ক্ষেত্রে চাঁদার হার কত, কত বছরের জন্য কত টাকা জমা করলে কত টাকা মাসিক অবসরভাতা বা পেনশন পাবেন তার একটি টেবিল নিচে দেওয়া হলো-

গ্রগতি স্কিম (২,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর২,০০০ টাকা৬৮,৯৩১ টাকা
৪০ বছর২,০০০ টাকা৫৮,৪০০ টাকা
৩৫ বছর২,০০০ টাকা৩৮,৩৭৪ টাকা
৩০ বছর২,০০০ টাকা২৪,৯৩২ টাকা
২৫ বছর২,০০০ টাকা১৫,৯১০ টাকা
২০ বছর২,০০০ টাকা৯,৮৫৪ টাকা
১৫ বছর২,০০০ টাকা৫,৭৮৯ টাকা
১০ বছর২,০০০ টাকা৩,০৬০ টাকা
গ্রগতি স্কিম
গ্রগতি স্কিম (৩,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৩,০০০ টাকা১,০৩,৩৯৬ টাকা
৪০ বছর৩,০০০ টাকা৮৭,৬০১ টাকা
৩৫ বছর৩,০০০ টাকা৫৭,৫৬১ টাকা
৩০ বছর৩,০০০ টাকা৩৭,৩৯৮ টাকা
২৫ বছর৩,০০০ টাকা২৩,৮৬৪ টাকা
২০ বছর৩,০০০ টাকা১৪,৭৮০ টাকা
১৫ বছর৩,০০০ টাকা৮,৬৮৩ টাকা
১০ বছর৩,০০০ টাকা৪,৫৯১ টাকা
গ্রগতি স্কিম
গ্রগতি স্কিম (৫,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৫,০০০ টাকা১,৭২,৩২৭ টাকা
৪০ বছর৫,০০০ টাকা১,৪৬,০০১ টাকা
৩৫ বছর৫,০০০ টাকা৯৫,৯৩৫ টাকা
৩০ বছর৫,০০০ টাকা৬২,৩৩০ টাকা
২৫ বছর৫,০০০ টাকা৩৯,৭৭৪ টাকা
২০ বছর৫,০০০ টাকা২৪,৬৩৪ টাকা
১৫ বছর৫,০০০ টাকা১৪,৪৭২ টাকা
১০ বছর৫,০০০ টাকা৭,৬৫১ টাকা
গ্রগতি স্কিম
গ্রগতি স্কিম (১০,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর১০,০০০ টাকা৩,৪৪,৬৫৫ টাকা
৪০ বছর১০,০০০ টাকা২,৯২,০০২ টাকা
৩৫ বছর১০,০০০ টাকা১,৯১,৮৭০ টাকা
৩০ বছর১০,০০০ টাকা১,২৪,৬৬০ টাকা
২৫ বছর১০,০০০ টাকা৭৯,৫৪৮ টাকা
২০ বছর১০,০০০ টাকা৪৯,২৬৮ টাকা
১৫ বছর১০,০০০ টাকা২৮,৯৪৪ টাকা
১০ বছর১০,০০০ টাকা১৫,৩০২ টাকা

৩। সুরক্ষা স্কিম

সর্বজনীন পেনশন স্কিম

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় সুরক্ষা স্কিম শুধু তাদের জন্য যারা কোনো প্রতিষ্ঠানে জব করেনা কিন্তু নিজে কিছু করে অর্থ উপার্জন করে থাকে। বলতে গেলে সুরক্ষা স্কিম বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার মানুষের জন্য।

এদেশে অনেকেই আছে যারা চাকরিকে পছন্দ করে না কিন্তু নিজে কিছু করার জন্য চেষ্টা করে। দেশে থেকে অনেকেই গরু পালন, মাছ চাষ ও বিভিন্ন প্রকারের কৃষি কাজের জড়িত থেকে দেশের অনেক উন্নতি করে আসছে।

বাংলাদেশের সকল ফ্রিল্যান্সার দেশে বসে বিদেশের গ্রাহকের সাথে যুক্ত থেকে দেশে থেকেই ডলার ইনকাম করে থাকে। সেজন্য বাংলাদেশ সরকার সুরক্ষা স্কিমটি সে সকল আপামর জনতার জন্য যারা নিজেই কিছু করে উপার্জন করে দেশ ও দশের উন্নতি সাধন করে আসছে।

সুরক্ষা স্কিমের ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক মাসে ১০০০ টাকা, ২০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা এবং ৫০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে পারবেন। যদি মাসিক ১০০০ টাকা করে চাঁদা প্রদান করে ৪২ বছর পর মাসিক পেনশনের পরিমাণ ৩৪,৪৬৫ টাকা, যদি ২০০০ টাকা চাঁদা প্রদান করে তাহলে মাসিক পেনশন ৬৮,৯৩১ টাকা, চাঁদার পরিমাণ যদি ৩০০০ টাকা হলে মাসিক পেনশন ১,০৩,৩৯৬ টাকা এবং যদি মাসিক চাঁদার পরিমাণ ৫০০০ টাকা হয়, তাহলে মাসিক পেনশন ভাতা ১,৭২,৩২৭ টাকা।

নিচের ছকে আমরা মাসিক চাঁদার হার ১০০০, ২০০০, ৩০০০ ও ৫০০০ টাকা হলে কত বছরে কত টাকা পেনশন হবে দেওয়া হলো-

সুরক্ষা স্কিম (১,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর১,০০০ টাকা৩৪,৪৬৫ টাকা
৪০ বছর১,০০০ টাকা২৯,২০০ টাকা
৩৫ বছর১,০০০ টাকা১৯,১৮৭ টাকা
৩০ বছর১,০০০ টাকা১২,৪৬৬ টাকা
২৫ বছর১,০০০ টাকা৭,৯৫৫ টাকা
২০ বছর১,০০০ টাকা৪,৯২৭ টাকা
১৫ বছর১,০০০ টাকা২,৮৯৪ টাকা
১০ বছর১,০০০ টাকা১,৫৩০ টাকা
সুরক্ষা স্কিম
সুরক্ষা স্কিম (২,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর২,০০০ টাকা৬৮,৯৩১ টাকা
৪০ বছর২,০০০ টাকা৫৮,৪০০ টাকা
৩৫ বছর২,০০০ টাকা৩৮,৩৭৪ টাকা
৩০ বছর২,০০০ টাকা২৪,৯৩২ টাকা
২৫ বছর২,০০০ টাকা১৫,৯১০ টাকা
২০ বছর২,০০০ টাকা৯,৮৫৪ টাকা
১৫ বছর২,০০০ টাকা৫,৭৮৯ টাকা
১০ বছর২,০০০ টাকা৩,০৬০ টাকা
সুরক্ষা স্কিম
সুরক্ষা স্কিম (৩,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৩,০০০ টাকা১,০৩,৩৯৬ টাকা
৪০ বছর৩,০০০ টাকা৮৭,৬০১ টাকা
৩৫ বছর৩,০০০ টাকা৫৭,৫৬১ টাকা
৩০ বছর৩,০০০ টাকা৩৭,৩৯৮ টাকা
২৫ বছর৩,০০০ টাকা২৩,৮৬৪ টাকা
২০ বছর৩,০০০ টাকা১৪,৭৮০ টাকা
১৫ বছর৩,০০০ টাকা৮,৬৮৩ টাকা
১০ বছর৩,০০০ টাকা৪,৫৯১ টাকা
সুরক্ষা স্কিম
সুরক্ষা স্কিম (৫,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)মাসিক চাঁদার হারসম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর৫,০০০ টাকা১,৭২,৩২৭ টাকা
৪০ বছর৫,০০০ টাকা১,৪৬,০০১ টাকা
৩৫ বছর৫,০০০ টাকা৯৫,৯৩৫ টাকা
৩০ বছর৫,০০০ টাকা৬২,৩৩০ টাকা
২৫ বছর৫,০০০ টাকা৩৯,৭৭৪ টাকা
২০ বছর৫,০০০ টাকা২৪,৬৩৪ টাকা
১৫ বছর৫,০০০ টাকা১৪,৪৭২ টাকা
১০ বছর৫,০০০ টাকা৭,৬৫১ টাকা
সুরক্ষা স্কিম

৪। সমতা স্কিম

সর্বজনীন পেনশন স্কিম

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক সময় সময় প্রকাশিত আয় সীমার ভিত্তিতে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী ব্যক্তিগন সমতা স্কিমের আওতাভুক্ত। যাদের বর্তমান বাৎসরিক আয় ৬০ হাজার টাকার নিচে তারা দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে।

সে সকল নাগরিকের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকার সমতা স্কিম চালু করেছে। যাতে বৃদ্ধাবস্থায় সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হতে পারে।

এই স্কিমের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দাতাকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হবে। সেই চাঁদার সাথে সরকার দেবে ৫০০ টাকা যুক্ত হয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১০০০ টাকা।

সুরক্ষা স্কিমের আওতায় যারা একাউন্ট চালু করবেন, তারা ১০ বছর পর ১,৫৩০ টাকা করে মাসিক পেনশন পাবেন। ১৫ বছর চালাতে পারলে ২,৮৯৪ টাকা, ২০ বছর চালালে ৪,৯২৭ টাকা, ২৫ বছর চালালে ৭,৯৫৫ টাকা, ৩০ বছর চালালে ১২,৪৬৬ টাকা, ৩৫ বছর চালালে ১৯,১৮৭ টাকা, ৪০ বছর চাঁদা প্রদান করলে ২৯,২০০ টাকা এবং ৪২ বছর চাঁদা প্রদান করলে ৩৪,৪৬৫ টাকা করে মাসিক পেনশন ভাতা পাবেন।

সমতা স্কিম (১,০০০ টাকা)
চাঁদা প্রদানের মোট সময়কাল (বছরে)১,০০০ টাকা (চাঁদাদাতা ৫০০ টাকা + সরকারি অংশ ৫০০ টাকা)সম্ভাব্য মাসিক পেনশন (টাকা)
৪২ বছর১,০০০ টাকা৩৪,৪৬৫ টাকা
৪০ বছর১,০০০ টাকা২৯,২০০ টাকা
৩৫ বছর১,০০০ টাকা১৯,১৮৭ টাকা
৩০ বছর১,০০০ টাকা১২,৪৬৬ টাকা
২৫ বছর১,০০০ টাকা৭,৯৫৫ টাকা
২০ বছর১,০০০ টাকা৪,৯২৭ টাকা
১৫ বছর১,০০০ টাকা২,৮৯৪ টাকা
১০ বছর১,০০০ টাকা১,৫৩০ টাকা
সমতা স্কিম

সর্বজনীন পেনশন স্কিম কীভাবে খুলবেন?

সর্বজনীন পেনশন স্কিম খোলার জন্য আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্রধারী একজন বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে। তারপর নিবন্ধনের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://upension.gov.bd/ গিয়ে  জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল দিয়ে কয়েকটি ধাপে অতিক্রম করলে খুব সহজেই একাউন্ট চালু করতে পারবেন।

উপরের লিংকে ক্লিক করে আপনি সর্বজনীন পেনশন ওয়েবসাইটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন।

সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কে

সেখানে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করে আপনার প্রয়োজনী তথ্য প্রদান করলে আপনি খুব সহজেই একাউন্ট খুলতে পারবেন। একথা মনে রাখবেন, আপনি যখন সর্বজনীন পেনশন স্কিম একাউন্ট খুলতে যাবেন, তখন আপনার অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট থাকা লাগবে।

পেনশন স্কিমে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন সেটা জানতে নিচে দেওয়া ভিডিওটি দেখেতে পারেন।

শেষকথা

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা একটি বহুল প্রয়োজনীয় স্কিম ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির বৃদ্ধকালে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশে পূর্বে শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যই পেনশন ব্যবস্থা চালু ছিলো কিন্তু বাংলাদেশে সকল পেশার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছে যা অনেক প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। বাংলাদেশ সরকার সর্বমোট ৬টি স্কিম চালু করার কথা থাকলেও বর্তমানে ৪টি স্কিম ব্যবস্থা চালু করেছে। আপনাদের বৃদ্ধকালে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অবশ্যই আপনাদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা উচিত।

Leave a Comment